মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৬
মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৩
প্রেম সূত্র / Love Equation
সূত্রটি অবশ্যই পুরাপুরি পড়ে বুঝার চেষ্টা করবেন। কেমন,
প্রেম সূত্র / Love Equation
তত্ত্ব / Theory:
যখন একটি ছেলে একটি মেয়ের আংশিক বা সর্ম্পূণ রুপে প্রেমে পড়ে,
তখন, মেয়েটির সর্বোচ্চ উছলে পড়া প্রেম ছেলেটির সর্বোচ্চ পকেট মানি (money/টাকা) এর
সমানুপাতিক । পকেট মানি বৃদ্ধি পেলে উছলে পড়া প্রেম বৃদ্ধি পায় । আর, পকেট মানি হ্রাস
পেলে উছলে পড়া প্রেম হ্রাস পায়
অর্থাৎ, মেয়েটির সর্বোচ্চ উছলে পড়া প্রেম ∞ ছেলেটির সর্বোচ্চ পকেট মানি (money/টাকা) ।
ব্যাখ্যা / Explain:
Lu∞Mu
বা, Lu=£Mu ( £=পেজওয়ানা)
বা, £=
Lu/Mu
£ (Pasowana/পেজওয়ানা) =ভন্ডামী প্রেম
।
Lu= Ultimate Love of Girl.
Mu= Ultimate Pocket Money of Boy.
অর্থাৎ, ছেলেদের সর্বোচ্চ পকেট মানি(money/টাকা) ও মেয়েদের সর্বোচ্চ
উছলে পড়া প্রেম এর অনুপাত একটি ধুব্র সংখ্যা, যাকে £ ( পেজওয়ানা ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় । একে Pasowana Ratio ঔ বলা হয় ।
সীমাবদ্ধতা / Restriction:
১. এই সূত্রটি সত্যিকার (Real/Pure) প্রেমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
হবে না ।
২. শুধু মাত্র লোভি, কৃপণ ও দুষ্চরিত্রের মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
। অন্যথায় প্রযোজ্য হবে না ।
উদ্দেশ্য / Object:
আজকালের ছেলে-মেয়েদের ও প্রেমিক-প্রেমিকাদের কে সঠিক ও সত্যিকার
প্রেমে উদ্বুদ্ধ করা এবং ভন্ডামী প্রেমের হাত থেকে রক্ষা করা ।
উদ্ভাবক:
১। ব্যাখ্যা, সীমাবদ্ধতা ও উদ্দেশ্য প্রদানে এবং সামগ্রিক ও তত্ত্ব
সংশোধনে মোঃ আল আমিন হোসেন ।
e-mail: alaminbpi21@gmail.com
২। কল্পনা ও মূল তত্ত্ব প্রদানে মোঃ ইজাজুল ইসলাম (রেজওয়ান) ।
e-mail:mdejajulislamrezwan@gmail.com
৩। বিশেষ ও সার্বিক সহায়তায় এবং তত্ত্ব প্রদানে মোঃ সাদেকুল ইসলাম
(সাদিক)
e-mail: sadikulislambpi@gmail.com
বিঃদ্রাঃ প্রিয় পাঠক, আপনাদের জন্যই আমাদের এই সব আয়োজন, আশাকরি আপনাদের
ভাল লাগা, মন্দ লাগা এবং যেকোন পরামর্শ অবশ্যই আমাদেরকে জানাবেন । ARRI (AR
Research Institute, Bangladesh)
।
মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল, ২০১২
পুরুষের চোখে নারী : প্রেরনার চিরন্তন উৎস
জীবনানন্দের বনলতা
সেনের মতো নারী ভাবনায় একটা বড় জায়গা দখল করে আছে কল্পনা। নারীর রূপকল্পনায় থাকে রহস্যে ভরা একটা ইনট্টিনসিক ক্যারেক্টার,
এখানেই নারীসত্তার মাদকতা। নারী বললেই বিভূতি ভুষণের লেখায় প্রকৃতির বর্ণনা মনে পড়ে যায়। সজল, শ্যামল, স্নিগ্ধ রূপের সঙ্গে নারীদের এক অদ্ভুত অনুষঙ্গ অনুভূত হয়। নারী আর প্রকৃতি যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে
যায়, ঠিক যেন জল রংয়ের ক্যানভাস অথবা রংধুনর কোনো রং।
নারী বলতে মা-বোন, স্ত্রী সব ভাবনা একসঙ্গে হুড়মুড় করে মনে আসে। তার কারণ মনে হয় একটাই। নারী মানেই একটা নিশ্চিন্ত আশ্রয়। যে আশ্রয়ে থাকা যায় চিন্তামুক্ত হয়ে। সে ছোটবেলা থেকেই ধরুন না। জন্মের পরই পরম নিশ্চিন্তে বেড়ে ওঠা মাকে আশ্রয় করেই। ভালো-মন্দ, রাগ-দুঃখ, উচ্ছ্বাস, হতাশা সবকিছুই মাকে ঘিরে। পরিবারে ভাই-বোনেরা একসঙ্গে মিলেমিশে বড় হওয়ার সময় বড় বোনের উপর এক ধরনের নির্ভরতা গড়ে ওঠে। বড় ভাইয়ের ক্ষেত্রে কিন্তু ঠিক তেমনটি হয় না। আর স্ত্রী তো একজন মানুষের জীবনের একটা বড় অংশ দখল করে থাকে। মেয়েদের এই কেয়ারিং অ্যাটিটিউডটা সবার কাছে ভালো লাগে। তাদের যত্ন-মমতা, আগলে রাখা ব্যাপারটা খুব সুন্দর। মেয়েদের এ পরিচালন ক্ষমতা দেখে সবার কাছে মনে হয়_ 'উইমেন আর ভেরি পাওয়ারফুল'। মেয়েদের কোনো খারাপ গুণ আছে এটা ভাবা উচিত নয়। তার মানে এই নয় যে, তাদের মধ্যে খারাপ কোনো শক্তি নেই। মেয়েদের মধ্যেও ভালো মন্দ রয়েছে। আসলে আমরা কি দেখছি, কেমন ভাবে ভাবছি তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করে নারী ভাবনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের গুণগুলোই চোখে পড়ে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মেয়েদের সম্ভ্রম বোধ কিছুটা মনে হয় কমে গেছে। তাদের সবটাই খারাপ এ কথাও ঠিক নয়। তারা যথেষ্ট সাবলীল, সপ্রতিভ, নিজের মতো স্পষ্ট ভাষায় জানাতে পারে। কিন্তু লজ্জাবোধ, মেয়েদের যেটা একান্ত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, সেটার একটু কমতি সবখানেই অনুভূত হচ্ছে। বাইরের চেহারা ছাপিয়ে তাদের মনটাকে ছুঁতে ইচ্ছা করে সবসময়। রবীন্দ্রনাথের গান মনে পড়ে_ রূপে তোমায় ভোলাব না। একজন পুরুষের কাছে নারীর আকর্ষণ চিরন্তন। এটি একান্ত স্বাভাবিক। তারা পুরুষের প্রেরণার উৎস। ছোটবেলায় মেয়েদের পরীর মতো ভাবতাম। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ দেখছি তাদেরও লোভ আছে, রাগ আছে, অ্যাগ্রেশন আছে, তারাও চায় ডমিনেট করতে। সর্বক্ষণ একটা মুখোশ পরে থাকা, যা নয় তাই প্রজেক্ট করা, এমন ধরনের মেয়ে কারো কাছেই ভালো লাগে না। প্রায়ই শোনা যায়, সফল পুরুষের পেছনে একজন নারীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ঠিক তেমনি কোনো নারীর কারণেও আবার একজন সফল পুরুষের ক্যারিয়ার বা সংসার ধুলায় মিশে যেতে পারে।
প্রিয় নারী সব সময়ই অলৌকিক। বাস্তব রেখায় সীমিত করতে চাইলেই তো সেই ভালোলাগা ভেঙে যাবে। গুড়িয়ে যাবে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মমতা।
নারী বলতে মা-বোন, স্ত্রী সব ভাবনা একসঙ্গে হুড়মুড় করে মনে আসে। তার কারণ মনে হয় একটাই। নারী মানেই একটা নিশ্চিন্ত আশ্রয়। যে আশ্রয়ে থাকা যায় চিন্তামুক্ত হয়ে। সে ছোটবেলা থেকেই ধরুন না। জন্মের পরই পরম নিশ্চিন্তে বেড়ে ওঠা মাকে আশ্রয় করেই। ভালো-মন্দ, রাগ-দুঃখ, উচ্ছ্বাস, হতাশা সবকিছুই মাকে ঘিরে। পরিবারে ভাই-বোনেরা একসঙ্গে মিলেমিশে বড় হওয়ার সময় বড় বোনের উপর এক ধরনের নির্ভরতা গড়ে ওঠে। বড় ভাইয়ের ক্ষেত্রে কিন্তু ঠিক তেমনটি হয় না। আর স্ত্রী তো একজন মানুষের জীবনের একটা বড় অংশ দখল করে থাকে। মেয়েদের এই কেয়ারিং অ্যাটিটিউডটা সবার কাছে ভালো লাগে। তাদের যত্ন-মমতা, আগলে রাখা ব্যাপারটা খুব সুন্দর। মেয়েদের এ পরিচালন ক্ষমতা দেখে সবার কাছে মনে হয়_ 'উইমেন আর ভেরি পাওয়ারফুল'। মেয়েদের কোনো খারাপ গুণ আছে এটা ভাবা উচিত নয়। তার মানে এই নয় যে, তাদের মধ্যে খারাপ কোনো শক্তি নেই। মেয়েদের মধ্যেও ভালো মন্দ রয়েছে। আসলে আমরা কি দেখছি, কেমন ভাবে ভাবছি তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করে নারী ভাবনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের গুণগুলোই চোখে পড়ে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মেয়েদের সম্ভ্রম বোধ কিছুটা মনে হয় কমে গেছে। তাদের সবটাই খারাপ এ কথাও ঠিক নয়। তারা যথেষ্ট সাবলীল, সপ্রতিভ, নিজের মতো স্পষ্ট ভাষায় জানাতে পারে। কিন্তু লজ্জাবোধ, মেয়েদের যেটা একান্ত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, সেটার একটু কমতি সবখানেই অনুভূত হচ্ছে। বাইরের চেহারা ছাপিয়ে তাদের মনটাকে ছুঁতে ইচ্ছা করে সবসময়। রবীন্দ্রনাথের গান মনে পড়ে_ রূপে তোমায় ভোলাব না। একজন পুরুষের কাছে নারীর আকর্ষণ চিরন্তন। এটি একান্ত স্বাভাবিক। তারা পুরুষের প্রেরণার উৎস। ছোটবেলায় মেয়েদের পরীর মতো ভাবতাম। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ দেখছি তাদেরও লোভ আছে, রাগ আছে, অ্যাগ্রেশন আছে, তারাও চায় ডমিনেট করতে। সর্বক্ষণ একটা মুখোশ পরে থাকা, যা নয় তাই প্রজেক্ট করা, এমন ধরনের মেয়ে কারো কাছেই ভালো লাগে না। প্রায়ই শোনা যায়, সফল পুরুষের পেছনে একজন নারীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ঠিক তেমনি কোনো নারীর কারণেও আবার একজন সফল পুরুষের ক্যারিয়ার বা সংসার ধুলায় মিশে যেতে পারে।
প্রিয় নারী সব সময়ই অলৌকিক। বাস্তব রেখায় সীমিত করতে চাইলেই তো সেই ভালোলাগা ভেঙে যাবে। গুড়িয়ে যাবে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মমতা।
সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২
বুদ্ধি বাড়ানোর উপায়
মানুষের বুদ্ধিমত্তা
বা আইকিউ অবশ্যই উঁচুমানের বৈশিষ্ট্য। সাধারণভাবে
যা অপরিবর্তিত থাকে বলেই মনে করা
হয়। বুদ্ধিমত্তা
এরকম হতেও দেখা যায় না। কেউ একটু বেশি বুদ্ধিদীপ্ত আবার কেউ কিছুটা পিছিয়ে, সাধারণ অভিজ্ঞতা তাই বলে। শরীরের পরিবর্তন নানাভাবে হতে পারে; কিন্তু মস্তিষ্ক যেভাবে বিকশিত হয় সারাজীবন সেই ধাঁচ বজায় থাকে। এ
ধারণা বহুদিন ধরেই জানা। জানা গেছে, শরীরের গঠনের
পাশাপাশি মানসিক গঠনও পাল্টে দেওয়া যায়। এমনকি
বৃদ্ধ বয়সেও এটা সম্ভব। কিন্তু
তার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ধরনের বিজ্ঞানসম্মত ট্রেনিং। আইকিউ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেবে। প্রায়
এক শতক ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করেছেন আইকিউ বংশগত
বৈশিষ্ট্যের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। কোনো
ধরনের পড়াশোনা বা মনোযোগ ইত্যাদি
বাড়িয়ে এই বংশগত বা জিনগত প্রভাব পাল্টে ফেলা যাবে না বলে মনে করা হয়। কিন্তু
এখন এ বংশগত বৈশিষ্ট্যও বদলে ফেলা সম্ভব। ইউনিভার্সিটি
অব মিসিগানের বিজ্ঞানী সুসান জেগি
আর তার সঙ্গীরা তিন বছর আগে বুদ্ধিমত্তার রহস্য
ভেদ করার চেষ্টা করেন। সুসান আর অপর বিজ্ঞানী মার্টিন
বাস্ককোহেল ইউনিভার্সিটি অব বার্ন
(সুইজারল্যান্ড) থেকে তাদের ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়েছেন। তারা এই দুই ইউনিভার্সিটিতেই তাদের কাজ চালিয়ে গেছেন
এবং এমন কিছু 'মেন্টাল এক্সারসাইজ' বা মানসিক ব্যায়াম ঠিক করছেন, যা আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তা
বাড়াবে। প্রয়োগের পর দেখা গেছে আইকিউ বা
বুদ্ধিমত্তা আগের চেয়ে বেড়েছে। যেন
শারীরিক কসরত করার মতোই মস্তিষ্ক ব্যায়ামে বুদ্ধি বেড়ে উঠতে থাকে। সুসান
বলেছেন, এটা শারীরিক ব্যায়ামের মতোই। নির্দিষ্ট
কিছু গেম বা খেলায় দক্ষতা বাড়তে দেখা গেছে
অথচ বংশগত আইকিউ বা জন্মগত আইকিউ ধারণা প্রায় চার দশকের পুরনো। ১৯৬০
সালে বিতর্কিত আর্থার জেনসন বলেছিলেন, জেনারেল ইন্টেলিজেন্স ফ্যাক্টর বা জি-এর কথা যা বংশগত
বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু আইকিউ আর জাতিগোষ্ঠী নিয়ে ধারণা কেউ মেনে
নেয়নি। এর যথেষ্ট সমালোচনা হয়। এখন
জেনসন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার আছে (বার্কলে)। কিন্তু জিনগত বুদ্ধিমত্তার ধারণা স্থায়ীভাবে তৈরি হয়ে গেল। ১৯৭০
সালে হার্ভার্ডের মনস্তত্ত্ববিদ রেমন্ড ক্যাটেল
বলেছিলেন, দু'ধরনের আইকিউর কথা ক্রিস্টালাইন এবং প্লাস্টিক। প্রথম
ধরনের বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ ঘটে যখন জানা তথ্য বা পুরনো অভিজ্ঞতা ব্যবহার করা হয় (ক্রিস্টালাইন) ফ্লুইড
ইন্টেলিজেন্স হলো নতুন সমস্যার সমাধানে বুদ্ধির
প্রয়োগ। ক্রিস্টালাইন ইন্টেলিজেন্স, স্মৃতিশক্তি আর অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগ। কিন্তু
ফ্লুইড ইন্টেলিজেন্স এসবের ওপর
নির্ভর করে না। দুটি আলাদা ধরনের স্নায়বিক
প্রক্রিয়া বলে জানা ছিল। ক্রিস্টালাইন
ইন্টেলিজেন্স এভাবে বদলায় না। ক্রিস্টালাইন
বলতে কোনো কিছু যা জানা পথ ধরে চলে আর ফ্লুইড বলতে
পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলায় এমন কিছু বোঝায়। ফ্লুইড ইন্টেলিজেন্স ট্রেনিং করিয়ে বাড়িয়ে নেওয়ার
চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন
সমীক্ষা দেখিয়েছে আইকিউ বংশগতির নির্ভুল মনে হলে বয়স এবং সামাজিক স্তরের ওপর তা নির্ভর করে থাকে। ফ্লুইড
ইন্টেলিজেন্স জানতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন
আকার দেখে চেনা বা তিল খোঁজা ম্যাট্রিক্সের সমাধান করা আর শ্রেণীবিভাগ। বিজ্ঞানীরা
তাদের এই ধারণার কথা জানিয়েছেন প্রসিডিংস অব ন্যাশনাল একাডেমী অব সায়েন্স প্রকাশিত পেপারে। মেন্টাল
এক্সারসাইজ যত বেশি করানো
যাবে ততই ফ্লুইড বুদ্ধিমত্তা বাড়বে। আইকিউ
অথবা মেমরি বাড়িয়ে দেওয়ার মতো
অনেক এক্সারসাইজ বা মস্তিষ্কচর্চার উপায় প্রচলিত আছে। মেমরি
বাড়ানো যায় বলে সুসান জেগির বলেছেন, এক হাজার আইটেম বা পৃথক জিনিস মনে রাখা মোটেই সম্ভব নয়। আবার
অন্য উপায় আছে যার সাহায্যে স্মরণশক্তি নয়, মস্তিষ্কের
অন্য ধারাগুলো উন্নত হতে পারে। বৃদ্ধ
বয়সে মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ
বয়সের সঙ্গে নতুন কিউ জন্মগতভাবেই
নির্ধারিত হয় এমন বলা যায় না। আইকিউ
আরও উন্নত অবস্থায় যেতে পারে। কিন্তু
তার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ধরনের মেন্টাল ট্রেনিং।
রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১২
কম্পিউটারের গতি বাড়াতে...
কম্পিউটারের
গতি বাড়ানো যায় কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে। তেমন কিছু বিষয়
নিচে দেওয়া হলো—
১. কম্পিউটারে কখনো Theme ইনস্টল করা উচিত নয়।থিম কম্পিউটারকে অনেক ধীর করে দেয়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি (ভয়েস ঘড়ি) ইত্যাদি ইনস্টল করবেন না। এগুলো কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়।
৩. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ কোনো ফাইল রাখবেন না। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়।
৪. Start থেকে Run-এ ক্লিক করে এক এক করে Prefetch, temp, %temp%, cookies, recent লিখে ok করুন। ফোল্ডারগুলো খুললে সবগুলো ফাইল মুছে ফেলুন (ডিলিট)। কোনো ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মুছে ফেলুন।
৫. কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়বে।
৬. ডেস্কটপে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে ok করুন।
৭. আবার Start থেকে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে ok করুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। যে প্রোগ্রামগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। এখন Startup-এ ক্লিক করে বাঁ পাশের সবগুলো টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৮. এখন My Computer খুলে সি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। তারপর Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রত্যেকটি ড্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৯. Start থেকে Control Panel-এ যান। Automatic Updates-এ ডবল ক্লিক করুন। Turn off Automatic Updates নির্বাচন করে ok তে ক্লিক করুন। যাঁরা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এটা তাঁদের জন্য প্রযোজ্য।
১০. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Customs সিলেক্ট করে সবার নিচের বক্সের ঠিক চিহ্নটি রেখে বাকি সবগুলো তুলে দিয়ে ok করুন।
১১. আবার My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced সিলেক্ট করে নৃিচে ডান পাশে Error Reporting-এ ক্লিক করুন। Disable সিলেক্ট করে ok করুন।
(আগামীকাল সমাপ্য) —মো. আমিনুর রহমান
১. কম্পিউটারে কখনো Theme ইনস্টল করা উচিত নয়।থিম কম্পিউটারকে অনেক ধীর করে দেয়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি (ভয়েস ঘড়ি) ইত্যাদি ইনস্টল করবেন না। এগুলো কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়।
৩. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ কোনো ফাইল রাখবেন না। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়।
৪. Start থেকে Run-এ ক্লিক করে এক এক করে Prefetch, temp, %temp%, cookies, recent লিখে ok করুন। ফোল্ডারগুলো খুললে সবগুলো ফাইল মুছে ফেলুন (ডিলিট)। কোনো ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মুছে ফেলুন।
৫. কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়বে।
৬. ডেস্কটপে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে ok করুন।
৭. আবার Start থেকে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে ok করুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। যে প্রোগ্রামগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। এখন Startup-এ ক্লিক করে বাঁ পাশের সবগুলো টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৮. এখন My Computer খুলে সি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। তারপর Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রত্যেকটি ড্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৯. Start থেকে Control Panel-এ যান। Automatic Updates-এ ডবল ক্লিক করুন। Turn off Automatic Updates নির্বাচন করে ok তে ক্লিক করুন। যাঁরা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এটা তাঁদের জন্য প্রযোজ্য।
১০. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Customs সিলেক্ট করে সবার নিচের বক্সের ঠিক চিহ্নটি রেখে বাকি সবগুলো তুলে দিয়ে ok করুন।
১১. আবার My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced সিলেক্ট করে নৃিচে ডান পাশে Error Reporting-এ ক্লিক করুন। Disable সিলেক্ট করে ok করুন।
(আগামীকাল সমাপ্য) —মো. আমিনুর রহমান
১২. My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন System Restore-এ ক্লিক করে Turn
off System Restore on all drives-এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে ok তে ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন।
ডেস্কটপে যত কম আইকন রাখা যায় ততই ভালো।
১৩. Ctrl + Alt + Delete চেপে বা Task bar-এ রাইট ক্লিক করে Task Manager ওপেন করুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রামের তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না, সেগুলো সিলেক্ট করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। এই প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামও আছে। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সমস্যা হয়, তাহলে কম্পিউটার Restart দিন। ঠিক হয়ে যাবে।
১৪. কম্পিউটারের র্যাম কম থাকলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার কিছুটা ফাস্ট করা যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance-এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামতো size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র্যামের size-এর দ্বিগুণ এবং Maximum size-এ র্যামের size-এর চারগুণ দিলে ভালো হয়।
১৫. প্রথমে Control panel-এ যান। Control panel থেকে Add or Remove-এ ডবল ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাঁ পাশ থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না, সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন, তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে একই পদ্ধতিতে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage এলে Finish-এ ক্লিক করুন। Restart করতে বললে Restart করুন।
১৬. শুধু আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন। যে সফটওয়্যারগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলো কাজ শেষ করে আবার আন-ইনস্টল করে দিন।
১৭. হার্ডডিস্কের ১৫ শতাংশ জায়গা ফাঁকা রাখলে এবং নিয়মিত ডিফ্রাগমেন্ট করলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট থাকে।
হার্ডডিস্কের ফাঁকা স্থানের পরিমাণ যত বেশি থাকে ততই ভালো।
১৮. সফটওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহার করার চেয়ে পোর্টেবল (বহনযোগ্য) সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার বেশি ফাস্ট থাকে।
সূত্র: দৈনিক প্রথম-আলো
ডেস্কটপে যত কম আইকন রাখা যায় ততই ভালো।
১৩. Ctrl + Alt + Delete চেপে বা Task bar-এ রাইট ক্লিক করে Task Manager ওপেন করুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রামের তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না, সেগুলো সিলেক্ট করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। এই প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামও আছে। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সমস্যা হয়, তাহলে কম্পিউটার Restart দিন। ঠিক হয়ে যাবে।
১৪. কম্পিউটারের র্যাম কম থাকলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার কিছুটা ফাস্ট করা যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance-এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামতো size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র্যামের size-এর দ্বিগুণ এবং Maximum size-এ র্যামের size-এর চারগুণ দিলে ভালো হয়।
১৫. প্রথমে Control panel-এ যান। Control panel থেকে Add or Remove-এ ডবল ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাঁ পাশ থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না, সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন, তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে একই পদ্ধতিতে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage এলে Finish-এ ক্লিক করুন। Restart করতে বললে Restart করুন।
১৬. শুধু আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন। যে সফটওয়্যারগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলো কাজ শেষ করে আবার আন-ইনস্টল করে দিন।
১৭. হার্ডডিস্কের ১৫ শতাংশ জায়গা ফাঁকা রাখলে এবং নিয়মিত ডিফ্রাগমেন্ট করলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট থাকে।
হার্ডডিস্কের ফাঁকা স্থানের পরিমাণ যত বেশি থাকে ততই ভালো।
১৮. সফটওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহার করার চেয়ে পোর্টেবল (বহনযোগ্য) সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার বেশি ফাস্ট থাকে।
সূত্র: দৈনিক প্রথম-আলো
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)